নোটিশ
২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান ( স্নাতক ) শ্রেণীর ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও কলেজ কতৃক প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়নের সময়সূচী সম্পর্কিত জরুরী বিজ্ঞপ্তি। - ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে, অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুণ ভর্তির তথ্যকেন্দ্র কে. বি. এম. কলেজ দিনাজ পুর। - কে,বি,এম, কলেজ দিনাজপু, কেন্দ্রের উঃমাঃসাঃ পরীক্ষা-২০১৮-এর ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচী নিম্নে প্রদান করা হলো----- - কে,বি,এম কলেজে, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচারে ৪ বছর মেয়াদি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম সেমিস্টারে ভর্তি চলছে। - ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীসমুহের ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচী ও পরীক্ষা সম্পর্কিত নুটিষ... - কে. বি. এম কলেজ দিনাজপুর-এ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স কোর্সে শিক্ষক নিয়গের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ... - মুক্তিযুদ্ধের মূরাল - শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ ঘটিয়ে তাকে মনুষ্যত্যের আলোকসম্পন্ন সার্থক রুচিশীল মানুষে পরিণত করা। - ২০১৭ সালের উঃমাঃসাঃ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যারা নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি/ এক বা ততধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি............... - অধ্যক্ষের বানী

অধ্যক্ষ

জিয়াউল
মোঃ জিয়াউল হুদা জুয়েল

উপাধ্যক্ষ

সরদার
সরদার কুদরত-ই-খুদা ।

সাম্প্রতিক তথ্য

ফটো গ্যালারী

Post title marquee scroll

২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান ( স্নাতক ) শ্রেণীর ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও কলেজ কতৃক প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়নের সময়সূচী সম্পর্কিত জরুরী বিজ্ঞপ্তি। - ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে, অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুণ ভর্তির তথ্যকেন্দ্র কে. বি. এম. কলেজ দিনাজ পুর। - কে,বি,এম, কলেজ দিনাজপু, কেন্দ্রের উঃমাঃসাঃ পরীক্ষা-২০১৮-এর ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচী নিম্নে প্রদান করা হলো----- - কে,বি,এম কলেজে, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচারে ৪ বছর মেয়াদি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম সেমিস্টারে ভর্তি চলছে। - ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীসমুহের ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচী ও পরীক্ষা সম্পর্কিত নুটিষ... - কে. বি. এম কলেজ দিনাজপুর-এ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স কোর্সে শিক্ষক নিয়গের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ... - মুক্তিযুদ্ধের মূরাল - শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ ঘটিয়ে তাকে মনুষ্যত্যের আলোকসম্পন্ন সার্থক রুচিশীল মানুষে পরিণত করা। - ২০১৭ সালের উঃমাঃসাঃ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যারা নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি/ এক বা ততধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি............... - অধ্যক্ষের বানী
মূল ফটোক
কে, বি, এম কলেজের প্রতিষ্টাকাল ১৯৬৫ হলেও সেই সময় কলেজের কোন প্রাচীর ছিলনা। পরবর্তীকালে কলেজের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার জন্য, খেলার মাঠ ও খেলা-ধুলার সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে, সর্বপরি কলেজের সার্বিক রক্ষনাবেক্ষনের কথা বিশেষ বিবেচনায় আসলে কলেজের পশ্চিম দিকে রাস্তার ধার দিয়ে প্রাচীর দেওয়া হয়। প্রাচীর নির্মানের সঙ্গে সঙ্গে নির্মান করা হয় মূল ফটোক। তবে বর্তমান মূল ফটোক ২০১২ সালের নুতুন সংস্করন।
মুক্তিযুদ্ধের মূরাল
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালী জাতীর এক গৌরবময় অধ্যায় । এই মুক্তিযুদ্ধের সহিত কেবিএম কলেজের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে । ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেবিএম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ছিল যেখান থেকে পরিকল্পনা করে মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনির মোকাবেলা করত । এক পর্যায়ে হানাদার বাহীনিদের হামলায় কলেজের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায় । পরবর্তিকালে সরকার কলেজের ক্ষতি পুরুনে আর্থিক সহয়তা প্রদান করে । সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বর্তমান কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জনাব ইকবালুর রহিম –এর উদ্যোগে কলেজের মূল ফটকের উভয় পার্শে পাথরে খচিত মুক্তিযুদ্ধের মূরাল স্থাপন করে কলেজকে গৌরবউজ্বল করেছে ।
বিজ্ঞান ভবন
বর্তমান বিজ্ঞান ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় ১৯৬৯-৭০ সালে, সরকারী উন্নয়ন স্কীমের অর্থে ডিপি আই-এর মাধ্যমে। সবাধীনতার পর ১৯৭২ সালে আরডি আর এস এবং রাজশাহী বিভাগ উন্নয়ন বোর্ডের অর্থানুকুলে বিজ্ঞান ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। পদার্থ, রসায়ন এবং উদ্ভীদ বিজ্ঞানাগারের স্থান সংকুলান হয় সেখানে। অধ্যক্ষ কক্ষ, অফিস, শিক্ষক বিরামাগার স্থানান্তর হয় বর্তমান স্থানে, শিক্ষক বিরামাগার কক্ষ সংলগ্ন ছোট কক্ষটিতে স্থাপিত হয় কলেজ লাইব্রেরী। পরবর্তীকালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার পশ্চীমাংশ নির্মান করে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগকে স্থানান্তর করা হয় সেইসাথে বিশাল কলেজ লাইব্রেরী, প্রানীবিজ্ঞান বিভাগ এবং গণিত বিভাগ স্থাপন করা হয়। ২০১০ সালে বিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় তলার বাঁকি অংশের কাজ সম্পন্ন করে কৃষি ডিপ্লমা কোর্স স্থাপন করা হয় । বর্তমানে ভবনটির চতুর্থ তলার কাজ এবং দক্ষিন দিকে বিশাল বারান্দার কাজ প্রায় শেষ। আশা করছি কয়েকটি অনার্স বিভাগকে এখানে স্থাপন করা সম্ভব হবে।
বি, বি ,এ ভবন
উত্তরবঙ্গে সর্বপ্রথম বি, বি, এ কোর্স চালু করাহয় কে, বি, এম কলেজে । তৎকালীন পরিচালনা পরিষদের সভাপতি জনাব, ভারোতীনন্দী সরকার –এর নিরলস পরিশ্রমের ফসল হিসাবে এই কোর্স কে, বি, এম কলেজে সোভা পায়। কলেজে ক্লাসরুমের সল্পতা দেখা দিলে তিনি অল্পদিনের মধ্যে এই ভবনের বরাদ্য নিয়ে আসেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন(২০০০ সাল)। তাঁর এই বিশাল অবদান কলেজের স্মৃতিপটে চির স্বরনীয় ।
আব্দুর রহিম ভবন
বর্তমান আই,সি,টি -এর যুগে ইন্টারনেট তথা কম্পিউটার শিক্ষার বিকল্প নেই। আওয়ামিলীগ সরকার, পাইলট প্রোজেক্ট হিসাবে দেশের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে, তারেই ধারাবাহিকতায় সর্বপ্রথম জনাব, ইকবালুর রহিম (সভাপতি) কে, বি, এম কলেজে এই ভবনটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। দ্বিতল ভবনের কাজ শেষ হতে না হতেই চার তলা ভবনের বরাদ্য নিয়ে আসেন তিনি । তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলে চারতলা ভবনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায় । আশা করছি অল্পদিনের মধ্যে আমরা এই ভবনের সুফল ভোগ করব । কলেজ তাঁর এই অবদানের কথা সর্ণাক্ষরে লিখে রাখবে হৃদয়পটে ।
মুক্তিযুদ্ধের মূরাল
১৯৭২ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালী জাতীর এক গৌরবময় অধ্যায় । এই মুক্তিযুদ্ধের সহিত কেবিএম কলেজের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে । ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেবিএম কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ছিল যেখান থেকে পরিকল্পনা করে মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনির মোকাবেলা করত । এক পর্যায়ে হানাদার বাহীনিদের হামলায় কলেজের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায় । পরবর্তিকালে সরকার কলেজের ক্ষতি পুরুনে আর্থিক সহয়তা প্রদান করে । সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বর্তমান কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জনাব ইকবালুর রহিম –এর উদ্যোগে কলেজের মূল ফটকের উভয় পার্শে পাথরে খচিত মুক্তিযুদ্ধের মূরাল স্থাপন করে কলেজকে গৌরবউজ্বল করেছে ।
আব্দুর রহিম ভবন
বর্তমান আই,সি,টি -এর যুগে ইন্টারনেট তথা কম্পিউটার শিক্ষার বিকল্প নেই। আওয়ামিলীগ সরকার, পাইলট প্রোজেক্ট হিসাবে দেশের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে, তারেই ধারাবাহিকতায় সর্বপ্রথম জনাব, ইকবালুর রহিম (সভাপতি) কে, বি, এম কলেজে এই ভবনটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। দ্বিতল ভবনের কাজ শেষ হতে না হতেই চার তলা ভবনের বরাদ্য নিয়ে আসেন তিনি । তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলে চারতলা ভবনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায় । আশা করছি অল্পদিনের মধ্যে আমরা এই ভবনের সুফল ভোগ করব । কলেজ তাঁর এই অবদানের কথা সর্ণাক্ষরে লিখে রাখবে হৃদয়পটে ।
মূল ফটোক
কে, বি, এম কলেজের প্রতিষ্টাকাল ১৯৬৫ হলেও সেই সময় কলেজের কোন প্রাচীর ছিলনা। পরবর্তীকালে কলেজের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার জন্য, খেলার মাঠ ও খেলা-ধুলার সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে, সর্বপরি কলেজের সার্বিক রক্ষনাবেক্ষনের কথা বিশেষ বিবেচনায় আসলে কলেজের পশ্চিম দিকে রাস্তার ধার দিয়ে প্রাচীর দেওয়া হয়। প্রাচীর নির্মানের সঙ্গে সঙ্গে নির্মান করা হয় মূল ফটোক। তবে বর্তমান মূল ফটোক ২০১২ সালের নুতুন সংস্করন।

২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান ( স্নাতক ) শ্রেণীর ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও কলেজ কতৃক প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়নের সময়সূচী সম্পর্কিত জরুরী বিজ্ঞপ্তি।


১ম বর্ষ সম্মান (স্নাতক) শ্রেণীর ভর্তি সম্পর্কিত জরুরী বিজ্ঞপ্তি।

Download (PDF, 101KB)

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে, অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুণ ভর্তির তথ্যকেন্দ্র কে. বি. এম. কলেজ দিনাজ পুর।

বিষয় সমুহ

বাংলা, ইংরেজী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, প্রানিবিদ্যা, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও বি. বি. এ. প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির আবেদন পূরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি বিষয়ে ১০০ টি করে সিট রয়েছে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

প্রথম চয়জে কেবিএম কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে, প্রথম সেমিস্টার কোর্স ফি এর ১০% মওকুফ করা হবে।

১ম বর্ষ সম্মান (স্নাতক) শ্রেণীর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।

Download (PDF, 153KB)


১ম বর্ষ বিবিএ সম্মান শ্রেণীর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।

Download (PDF, 59KB)


১ম বর্ষ সম্মান (স্নাতক) শ্রেণীর ভর্তি নির্দেশিকা।

Download (PDF, 293KB)

সভাপতি

সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদ

১৯৬৫---

জনাব,ইকবালুর রহিম-এম.পি হুইপ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।

সভাপতির অনুপ্রেরণা--

প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ

-------

জনাব, মাহমুদ মোকারোম হোসেন। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, তৎকালীন বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষোদের সভাপতি।

আরো পড়ুন--

যার নামে কলেজ

১৮৯১-১৯৪৫

জনাব, মউলোভী কাদের বক্স। বিশিষ্ট আইনজীবী, প্রথম মুসলিম আইনজীবী দিনাজপুর জর্জকোট ।

আরো পড়ুন--

দিনাজপুরের নাগরিক

দিনাজপুরের নাগরিক

আমি দিনাজপুর জেলার একজন সাধারণ মানুষ। জন্ম দিনাজপুরে তাই বাল্যকাল থেকেই কেবিএম কলেজের নাম শুনে আসতেছি। বদনামও শুনেছি। এক সময় কেবিএম কলেজের বদনাম ছিল আইস ক্রিমের মত, খাইতে ভাল লাগে তবে সাস্থকর নয়। যাইহোক আজ আর সেই বদনাম নেই। অতীতে যতটা বদনাম ছিল, আজ তার চেয়ে অধিক সুনাম নিয়ে দিনাজপুরের শিক্ষাঙ্গনে বলিষ্ট অবদান রেখে, দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলছে। আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন বিশেষ শুভাকাঙ্ক্ষী।
অভিভাবক

অভিভাবক

আমি একজন অভিভাবক। আমার মেয়ে কেবিএম কলেজের একাদশ শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী। মেয়ের আচার-আচরন ও লেখা-পড়ার প্রতি মনোযোগ দেখে আমি সন্তষ্ট। কলেজের ক্রিষ্টিকালচার এবং পাঠাভ্যাস তার জীবনকে গতিশীল করেছে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে শিক্ষকদের স্বকীয় দক্ষতায় তৈরী পাঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে পাঠদান, সকল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় করে তুলেছে। কলেজ প্রশাসন ও শিক্ষাগুরুদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক অভিবাধন।
এলাকাবাসী

এলাকাবাসী

আমি একজন এলাকাবাসী, কলেজ এলাকায় আমার বাস। আমি গর্বিত যে কেবিএম কলেজ এলাকায় আমি বাস করি। বিবিএ সহ এগারোটি বিষয়ে অনার্স; বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রী; বিএম এবং কৃষি ডিপ্লমা সকল বিষয়ে সার্থকতার সহিত পাঠদান করে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে কেবিএম কলেজ দিনাজপুরের শিক্ষাঙ্গনে অবস্থান করে নিয়েছে। নিজেস্য উদ্যোগে নিয়োমিত কম্পিউটার প্রশিক্ষনের মাধ্যমে শিক্ষকদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে পাঠদানের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের আসির্বাদ হয়ে দড়িয়েছে।
উচ্চমাধ্যমিক কোর্স

১৯৬৫ থেকে ২০১৭ এই দীর্ঘ ৫৩ বছর চেরাডাঙ্গী কলেজ থেকে শুরু করে বর্তমানের কেবিএম কলেজ – এই দীর্ঘ উত্তরনের ইতিহাস কেবিএম কলেজের পর্যায়ক্রমিক অগ্রগতির ইতিহাস । অধ্যক্ষ মাহমুদ মোকাররম হসেনের যোগ্য নেতৃত্ব এবং শিক্ষক বৃন্দের অবিরাম প্রচেষ্টা, স্থানীয় এবং শহরের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সুকামনা এবং প্রবাহমান ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগীতায় কেবিএম কলেজ আজ দেশের একটি সুপরিচিত বৃহৎ বেসরকারী ডিগ্রী কলেজ । শুরু থেকেই কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক এবং বানিজ্য শ্রেণী পুর্ণাংগভাবে চালু করা হয়। প্রকাশ থাকে যে দিনাজপুরে সর্বপ্রথম কেবিএম কলেজে বিএসসি ডিগ্রী পড়ানোর কাজ শুরু করা হয়()। পরবর্তীতে ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে কলেজে উচ্চমাধ্যমিক মানবিক শ্রেণীতে বাংলা, ইংরেজী, ইসলামের ইতিহাস, অর্থনিতী, পৌরনিতী, কৃষি বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞান বিষয়, বানিজ্য শ্রেণীতে সকল বিষয় এবং বিজ্ঞান শ্রেণীতে পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান, গনিত, আইসিটি এবং কৃষি শিক্ষা বিষয়ে পাঠ গ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বি, এম, কোর্স

হাসানুজ্জামান

সমাজবিজ্ঞানী জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান বিএম কোর্স-সমন্বয়কারী

প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাহমুদ মোকাররম হোসেনের অবদান হিসাবে উত্তর বঙ্গে সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে কেবিএম কলেজে কারিগরী বর্ডের আন্ডারে পরিচালিত বিএম শাখার পাঠদান শুরু করা হয় । প্রথমে কম্পিউটার অপারেশন ও সেক্রেটারিয়াল সাইন্স এই দুইটি ট্রেডে ২০ জন করে শিক্ষার্থীর অনুমোদন নিয়ে আসা হয় । প্রথম অবস্থায় ৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শিক্ষা কার্জক্রম শুরু করা হয় । অত্র বিএম শাখার সমন্বয়কারী জনাব জিয়াউলহুদা সাহেবের নিরলশ পরিশ্রম ও বিজ্ঞ পরিচালনায় পরবর্তীকালে এক সময় এই বিএম শাখা কলেজের এক বিশেষ শাখ হিসাবে ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসির দৃষ্টি আকর্শন করে । ফলে এই শাখায় ভর্তি হওয়া ও লেখাপড়া করা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করে । কেবিএম কলেজ বিএম শাখা হতে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ নিয়ে কর্মজীবনে চরম সার্থকতা পাওয়ার নজির আছে । ২০০০ সালে বিএম শাখায় আরও একটি ট্রেড (হিসাব রক্ষণ ) সংযোজন হয়ে প্রতি ট্রেডে ২৫ জন করে মোট তিনটি ট্রেডে ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করার সুযোগ পায় । ২০০২ সালে বিএম শাখায় আরও একটি ট্রেড (ব্যাংকিং ) সংযোজন হয়ে প্রতি ট্রেডে ৩০ জন করে মোট চারটি ট্রেডে ১২০ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করার সুযোগ পায় ।

কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স

Ahigh1

জনাব আব্দুল হাই সিদ্দিকী কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স-সমন্বয়কারী

কৃষি প্রধান বাংলাদেশ, কৃষির অগ্রযাত্রা বজায় রাখার প্রত্যয় জ্ঞ্যাপন করে উত্তর বঙ্গে সর্বপ্রথম ২০০৫ সালে কেবিএম কলেজে কারিগরী বর্ডের আন্ডারে পরিচালিত কৃষি ডিপ্লমা শাখার পাঠদান শুরু করা হয় । প্রথম অবস্থায় ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির অনুমোদন নিয়ে এই শাখার পাঠদান শুরু করা হয় । কৃষি ডিপ্লমা শাখার সমন্বয়কারী জনাব আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেবের নিরলশ পরিশ্রম ও বিচক্ষন পরিচালনায় পরবর্তীকালে এক সময় এই কৃষি ডিপ্লমা শাখা কলেজের এক বিশিষ্ট শাখ হিসাবে ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসির মনে স্থান করে নেয় । এই শাখায় লেখাপড়া করে অনেকে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে কর্মসংস্থান অর্জন করেছে । ২০০৯ সালে কৃষি ডিপ্লমা শখায় ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি নিয়ে শিক্ষার কার্জক্রম বহালতবিয়তে চলছে ।

ডিগ্রী(পাশ) কোর্স

kbmscience

বর্তমান বিজ্ঞান ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় ১৯৬৯-৭০ সালে, সরকারী উন্নয়ন স্কীমের অর্থে ডিপি আই-এর মাধ্যমে। সবাধীনতার পর ১৯৭২ সালে আরডি আর এস এবং রাজশাহী বিভাগ উন্নয়ন বোর্ডের অর্থানুকুলে বিজ্ঞান ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। পদার্থ, রসায়ন এবং উদ্ভীদ বিজ্ঞানাগারের স্থান সংকুলান হয় সেখানে। ১৯৭০ সালে দিনাজপুরে সর্বপ্রথম কেবিএম কলেজে বিএসসি ডিগ্রী পড়ানোর কাজ শুরু করা হয়। তৎকালীন দিনাজপুর সরকারী কলেজেও বিএসসি ডিগ্রী পড়ানো হত না। কেবিএম কলেজকে দিনাজপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির বিজ্ঞান শিক্ষার অগ্রদুত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে স্নাতক বি বি এস এবং বি এস এস স্রেণী সমুহে বাংলা, ইংরেজী, ইসলামের ইতিহাস, অর্থনিতী, রাষ্ট্র বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞান বিষয়, বানিজ্য শ্রেণীতে সকল বিষয় এবং বিজ্ঞান শ্রেণীতে পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান এবং গনিত বিষয়ে পাঠ গ্রহনের সুবিধা আছে ।

অনার্স কোর্স

২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে পরীক্ষামূলকভাবে এই কলেজে সমাজ বিজ্ঞান, উদ্ভীদ বিদ্যা এবং প্রাণী বিদ্যা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করা হয়। বিষয়গুলির ১ম ও ২য় বর্ষের উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় ফলাফল, এলাকাবাসির চাহিদা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহের তাড়নায় কলেজ প্রশাসন ও পরিচালনা পর্ষদের সহযোগিতায় পরবর্তীকালে আরও সাতটি বিষয়ে যথা বাংলা, ইংরেজী, ইসলামের ইতিহাস, অর্থনিতী, রাষ্ট্র বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স নিয়ে আসা হয়। কলেজে এখন বি বি এ সহ মোট ১১টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু আছে । প্রথমে প্রতিটি বিষয়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তীর অনুমতি থাকলেও এখন তা বর্দ্ধিত হয়ে ১০০ জনে উন্নীত হয়েছে। ফলে বিশাল কলেজ ক্যাম্পাস গম গম করছে ছাত্র-ছাত্রীদের আনা-গোনায়। আগামীতে পদার্থ, রসায়ন ও গনিত বিষয়ে অনার্স কোর্স নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ।

বি, বি, এ. কোর্স

Fasiar

জনাব ফসিয়ার রহমান বিবিএ কোর্স-সমন্নয়কারী

উত্তরবঙ্গে সর্বপ্রথম বি, বি, এ কোর্স চালু করাহয় কেবিএম কলেজে । তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জনাব ভারোতীনন্দী সরকার –এর নিরলস পরিশ্রমের ফসল হিসাবে এই কোর্স কেবিএম কলেজে সোভা পায়। কলেজে ক্লাসরুমের সল্পতা দেখা দিলে তিনি অল্পদিনের মধ্যে এই ভবনের বরাদ্য নিয়ে আসেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন(২০০০ সাল)।